‘স্মৃতি ইরানি সাহায্য করলে বাবাকে বাঁচানো যেত’

0
26

নয়াদিল্লি: মন্ত্রী যদি একটু সাহায্য করতেন, তাহলে হয়ত দুর্ঘটনায় আহত বাইক আরোহী বেঁচে যেতেন। আগ্রার চিকিৎসক রমেশ নাগরের মৃত্যুর দু’দিন পর এমনই অভিযোগ তুললেন তাঁর মেয়ে স্যান্ডিলি নাগর। শুধু অভিযোগে সরব হওয়াই নয়, কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর দায়ের করেছে ১৫ বছরের ওই কিশোরী।

জানা গিয়েছে, গত শনিবার রাতে বৃন্দাবনে ভারতীয় যুব মোর্চার একটি সমাবেশ থেকে ফিরছিলেন স্মৃতি ইরানি। সেই সময় নয়ডা এক্সপ্রেসওয়েতে তাঁর গাড়ির সঙ্গে একটি বাইকের ধাক্কা লাগে বলে অভিযোগ। ওই বাইকে আগ্রার চিকিৎসক রমেশ নাগর সহ তাঁর মেয়ে স্যান্ডিলি এবং ভাইপো ছিল। মন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় বাইক থেকে পড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই রমেশ নাগরের মৃত্যু হয়। কিন্তু তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে স্মৃতি ইরানি একটু সাহায্য করলে তাঁর বাবা বেঁচে যেতে পারত বলে দাবি স্যান্ডিলির। তার সঙ্গে ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্যান্ডিলির ১২ বছরের তুতো ভাই বলে, রমেশবাবুকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য মন্ত্রীর কাছে বহুবার সাহায্য চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু ‘স্মৃতি ইরানি আমাদের উপেক্ষা করেন।’ স্মৃতি ইরানির গাড়িই তাঁদের বাইকের পিছনে ধাক্কা মেরেছিল বলে এফআইআর-এ জানায় স্যান্ডিলি। তার কথায়, “যদি তিনি (স্মৃতি ইরানি) চাইতেন, আমাদের সাহায্য করতে পারতেন। যদি তিনি আমাদের সাহায্য করতে, তাহলে আজ আমার বাবা আমাদের সঙ্গে থাকত।’’ স্মৃতি ইরানি তাঁর দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়ি থেকে বেরিয়ে অন্য গাড়ি করে যান। কিন্তু তাঁদের দিকে ফিরেও তাকাননি বলে অভিযোগ রমেশবাবুর মেয়ের।

যদিও রমেশবাবুকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি তিনিই ঠিক করে দিয়েছিলেন বলে আগেই ট্যুইট করে জানিয়েছিলেন স্মৃতি ইরানি। এবার তাঁর অফিস সূত্রে জানানো হয়, রমেশ নাগরের বাইকে যে গাড়িটি ধাক্কা মেরেছিল সেটি স্মৃতি ইরানির গাড়ি ছিল না।